আনাস ইবনে মালিক ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের উপর ইলম (বিদ্যা) শিক্ষা করা ফরজ।”
জামি আত-তিরমিজি ২০৯১ থেকে: আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা ফারায়েজ ও কুরআন শিক্ষা করে নাও এবং লোকদের এটা শিক্ষা দিতে থাকো। কেননা আমাকে উঠিয়ে নেওয়া হবে।”
[সুরা আন-নিসার ১১ ও ১২ নম্বর আয়াতে ফারায়েজ বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন সংক্রান্ত নিয়ম বলে দেওয়া হয়েছে।
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইলম অর্জনের জন্য পথ চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে যাবার পথ সহজ করে দেন।”
আবু উমামা বাহেলি ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে দুজন লোকের কথা উল্লেখ হলো। একজন আবেদ এবং অন্যজন আলেম। তখন রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আবেদের উপর আলেমের শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, তোমাদের মধ্যে একজন সাধারণ মুসলমানের উপর আমার শ্রেষ্ঠত্ব যেমন।” তারপর রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যারা লোকদেরকে কল্যাণকর ইলম শিক্ষা দেয় নিশ্চয় তাদের কল্যাণের জন্য আল্লাহ তাদের উপর রহমত বষর্ণ করেন, আর তাঁর ফেরেশতাগণ এবং পৃথিবী ও আসমানের অধিবাসীবৃন্দ, এমনকি গর্তের পিঁপড়া ও মাছেরাও দোয়া করে।”
যে ব্যক্তি কোনো ইলম শিক্ষা দেয়, সেই ইলম অনুযায়ী শিক্ষালাভকারীগণ যে পরিমাণ আমল করবে, তাদের সমপরিমাণ আমলের সওয়াব ঐ ব্যক্তি পাবে। এতে শিক্ষালাভকারীদের সওয়াব কিছুমাত্র কমবে না।১(খুতবাতুল ইসলাম, পৃষ্ঠা ১৩৮)