সুদ-ঘুষ

عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آكِلَ الرِّبَا وَمُؤْكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وَقَالَ هُمْ سَوَاءٌ

জাবির ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুদখোর, সুদ প্রদানকারী, সুদের চুক্তি লেখক এবং সুদের লেনদেনের সাক্ষীদ্বয়কে অভিশাপ দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, “এরা সবাই সমান।”

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষখোর এবং ঘুষদাতার উপর অভিশাপ দিয়েছেন।

কেউ ঘুষ দিয়ে চাকুরি নিলো। ঘুষ দেয়ার দুটো পর্যায় রয়েছে। একটা হলো: তার যোগ্যতা নেই, ঘুষের মাধ্যমে যোগ্যতা ছাড়াই চাকুরি নিলো। এক্ষেত্রে ঘুষ দেয়াও হারাম, চাকুরিও হারাম। আরেকটা হলো: তার যোগ্যতা আছে কিন্তু ঘুষ না দিলে চাকুরিটা পাচ্ছে না। এক্ষেত্রে সে মাজলুম। ঘুষ দেয়াটা হারাম। কিন্তু জুলুমের শিকার হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছে। আশা করা যায়, তওবার মাধ্যমে আল্লাহ এটা ক্ষমা করবেন। আর চাকুরি বৈধ। (জিজ্ঞাসা ও জবাব, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৩)

বিষয়বস্তুতে যান

যোগাযোগ

মতামত, সংশোধনী বা যে কোনো পরামর্শ জানাতে এই ফর্মটি ব্যবহার করুন।