عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا عَمِلَ آدَمِيٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهُ لَيَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلَافِهَا وَأَنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الْأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا
আয়িশা ﵂রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোনো মানুষ কুরবানির দিন রক্ত প্রবাহিত করার চাইতে আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় আর কোন আমলই করতে পারে না। কিয়ামতের দিন জবেহ করা পশু তার শিং, পশম ও খুর নিয়ে হাজির হবে। কুরবানির রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে এর সওয়াব পৌঁছে যায়। অতএব তোমরা এর (কুরবানির) মাধ্যমে খুশি ও পবিত্রতা হাসিল করো।”
আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহর কাছে কুরবানির গোশত, রক্ত পৌঁছায় না বরং তোমাদের তাকওয়াই আল্লাহর কাছে পৌঁছে থাকে।” (সুরা আল-হাজ ২২:৩৭)
হাদিসে কুরবানির ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করে দিয়েছেন; তিনি বলেছেন, “সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে কুরবানি করে না, সে যেন আমাদের ইদগাহে না আসে।” (সুনান ইবনে মাজাহ ৩১২৩)