عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللهُ
আয়িশা ﵂রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহা নামাজ চার রাকাত আদায় করতেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় বেশিও আদায় করতেন।
দোহা (الضحى) আরবি শব্দ। বাংলায় সাধারণত “যোহা” উচ্চারণ করা হয়। এর অর্থ দিনের প্রথম অংশ (forenoon)। ফারসি ভাষায় “চাশত।” চাশত নামাজের সময় সূর্যোদয়ের (আনুমানিক) ২০ মিনিট পর থেকে দুপুরের পূর্ব পর্যন্ত। তাহাজ্জুদ নামাজের পর গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ যোহা বা চাশত নামাজ। চাশতের সালাত দুই রাকাত থেকে বারো রাকাত পর্যন্ত আদায় করা যায়। এ সালাতকে “সালাতুল আওয়াবিন” বা “আল্লাহওয়ালাগণের সালাত” বলা হয়। এদেশে এ সালাত “ইশরাকের সালাত” বা “সূর্যোদয়ের সালাত” বলে পরিচিত। আনাস ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাআতে আদায় করে বসে বসে আল্লাহর জিকির করবে সূর্যোদয় পর্যন্ত, এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করবে, সে একটি হজ ও একটি উমরার সওয়াব অর্জন করবে; পরিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, পরিপূর্ণ (হজ ও উমরা)।”১ (রাহে বেলায়াত, পৃষ্ঠা ৫৪৪)