আয়িশা ﵂রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন কাজ আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয়? তিনি বললেন, “যে কাজ সার্বক্ষণিক ও নিয়মিত করা হয় যদিও তা (পরিমাণে) কম হয়। তোমার সাধ্যের বেশি কাজ নিজের উপর চাপিয়ে নিও না।”
হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো। আমি তোমারই বান্দা (গোলাম)। আমি যথাসাধ্য তোমার সাথে কৃত প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার কৃত সকল খারাপ কর্ম থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আমার কৃত গুনাহ আমি স্বীকার করছি, অতএব আমাকে মাফ করো। কেননা তুমি ছাড়া আমার পাপ মাফ করার কেহ নাই।
যে ব্যক্তি দিনে (সকালে) দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দোয়া পড়বে, সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বে সে যদি মারা যায় তবে সে জান্নাতি হবে। আর যে ব্যক্তি রাতে (প্রথমভাগে) দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দোয়া পড়বে, ভোর হওয়ার পূর্বে সে যদি মারা যায় তবে সে জান্নাতি হবে।”
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, “আল্লাহর শপথ! নিশ্চয় আমি প্রতিদিন সত্তর বারের বেশি (আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি) আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তওবা করি ।”
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে, তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনা রাশির সমপরিমাণ হয়।”
পাঠককে মূল আরবি থেকে দোয়াটি মুখস্থ করার অনুরোধ করা হলো।↩︎