ইসলামি রাষ্ট্রে অমুসলিম

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَا مَنْ ظَلَمَ مُعَاهِدًا أَوِ انْتَقَصَهُ أَوْ كَلَّفَهُ فَوْقَ طَاقَتِهِ أَوْ أَخَذَ مِنْهُ شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ فَأَنَا حَجِيجُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মনে রেখো যদি কোনো মুসলিম অমুসলিমের উপর অত্যাচার চালায়, অধিকার হরণ করে, সাধ্যাতীত বোঝা (জিজিয়া বা প্রতিরক্ষা কর) চাপায় অথবা জোর করে তার কোনো জিনিস কেড়ে নেয়, তবে আমি কিয়ামতের দিন সেই মুসলিমের বিরুদ্ধে উক্ত অমুসলিমের পক্ষ হয়ে কথা বলব।”

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ حِينَ بَعَثَهُ إِلَى الْيَمَنِ اِتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهُ لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ

ইবনে আব্বাস ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াজকে ইয়েমেন দেশে (গভর্নর করে) পাঠানোর সময় বলেন, “(মুসলিম-অমুসলিম) মজলুম (অত্যাচারিত)-এর অভিশাপ (দেওয়া)-কে ভয় করো। কেননা তার এবং আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকে না (অর্থাৎ মজলুমের ফরিয়াদ আল্লাহর কাছে সরাসরি পৌঁছে যায়)।”

উমর ইবনে আব্দুল আজিজ ﵀রহিমাহুল্লাহ প্রশাসকদের নির্দেশ দিতেন: অমুসলিমদের সাথে নম্র ব্যবহার করো, বৃদ্ধ হলে বায়তুল মাল থেকে ব্যয় করো, আত্মীয় থাকলে ব্যয়ভার বহন করতে বলো, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করো।

বিষয়বস্তুতে যান

যোগাযোগ

মতামত, সংশোধনী বা যে কোনো পরামর্শ জানাতে এই ফর্মটি ব্যবহার করুন।