আনাস ইবনে মালিক ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর রাস্তায় একটি সকাল ও একটি সন্ধ্যা ব্যয় করা দুনিয়া এবং দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে তার চাইতে উত্তম।”
আব্দুল্লাহ ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি এখনো নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখতে পাচ্ছি, তিনি (অতীতের) নবিদের মধ্যে একজন নবির হেকায়াত বর্ণনা করছেন। সেই নবিকে তার জাতি মেরে রক্তাক্ত করে দিল, আর তিনি নিজ মুখমণ্ডল থেকে রক্ত মুছছেন আর দোয়া করছেন, হে আল্লাহ, আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, কেননা তারা জানে না।
খাব্বাব ইবনে আরাত থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমরা রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এমন এক সময়ে অভিযোগ করলাম যখন তিনি কাবাঘরের ছায়ায় চাদর দিয়ে বালিশ করে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম, আমাদের জন্য কি সাহায্য চাইবেন না ও দোয়া করবেন না? তিনি বললেন, “তোমাদের আগেকার লোকদের ধরে এনে মাটিতে গর্ত করে তাতে পুঁতে দেওয়া হতো। তারপর তাদের মাথার উপর করাত চালিয়ে দ্বিখণ্ডিত করা হতো। লোহার আঁচড়া চালিয়ে শরীরের গোশত ও হাড় পৃথক করা হতো। কিন্তু তবুও তাদেরকে তাদের দীন থেকে বিচ্যুত করতে পারে নি। আল্লাহর কসম! এ দীন পূর্ণরূপে বিজয়ী হবে। এমন একদিন আসবে যখন কোনো পথচারী নিশ্চিন্তে ‘সান’আ’ থেকে ‘হাজরামাউত’ পর্যন্ত ভ্রমণ করবে তখন আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হবে না। আর মেষপালের জন্য শুধু বাঘের ভয় বাকি থাকবে। কিন্তু তোমরা খুব তাড়াহুড়া করছো।” (সহিহ আল-বুখারি ৩৬১২)
ইবনে আব্বাস ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বলে দোয়া করেন, “হে আল্লাহ, আবু জাহিল বিন হিশাম বা উমর ইবনে খাত্তাবের দ্বারা ইসলামকে সম্মানিত করো।” উমর ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু সকালে উঠে রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলেন এবং ইসলাম কবুল করলেন।
উমর ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলাম গ্রহণ করার পর প্রকাশ্যে কাবা মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়লেন।
আবু মুুসা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর সাহাবিদের কাউকে কোনো কাজে পাঠাতেন তখন তাকে বলতেন, “তোমরা সুখবর দাও, বিমুখ (বিতৃষ্ণা সৃষ্টি) কোরো না, সহজ ভাবে বুঝাও, কঠিনভাবে উপস্থাপন কোরো না।”