আবু মাসউদ ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের পূর্ববর্তীদের মধ্যে এক ব্যক্তির হিসেব নেওয়া হয়। কিন্তু তার মধ্যে তেমন কোনাে ভালো আমল পাওয়া যায় নি। তবে সে মানুষের সাথে লেন-দেন করত। সে ছিল সচ্ছল (সে লোকদের ঋণ দিত)। সে গরীব লোকদের ক্ষমা করার জন্য তার কর্মচারীদের নির্দেশ দিত। রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আল্লাহ বললেন: ক্ষমা করার ব্যাপারে আমি তার চেয়েও বেশি যোগ্য। (আল্লাহ ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলেন) তাকে ছেড়ে দাও (ক্ষমা করে দাও)।
ইবনে মাসউদ ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোনো মুসলিম যদি অপর মুসলিমকে দুইবার কর্জ দেয় তবে সে সেই পরিমাণ মাল একবার দান করার সমান সওয়াব পাবে।”
ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধের সময় কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে ঋণ দাতার জন্য দোয়া করবেন, بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ আল্লাহ আপনাকে, আপনার পরিবারে ও মালে বরকত দান করুন। (হিসনুল মুসলিম ২০২)
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সক্ষম ব্যক্তির টালবাহানা অত্যাচারের শামিল।”
সহিহ আল-বুখারি ২৩৯৭ থেকে: এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি ঋণ হতে এত বেশি পানাহ চান কেন? তিনি জবাব দিলেন, “মানুষ ঋণগ্রস্ত হলে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে এবং ওয়াদা করলে তা খেলাফ করে।”
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে একজন লোক আসলো এবং তাঁকে (পাওনার) কড়া তাগাদা দিল। ফলে সাহাবিরা লোকটিকে মারতে উদ্যত হলো। তখন তিনি বললেন, “তাকে ছেড়ে দাও, কারণ পাওনাদারের কড়া কথা বলার অধিকার রয়েছে।”