জুমুয়ার নামাজ ও ইদের নামাজ

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ الم تَنْزِيلُ وَهَلْ أَتَى

আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন ফজরের সালাতে “আলিফ লাম মিম তানজিল” (সুরা আস-সাজদাহ) এবং “হাল আতা” (সুরা আল-ইনসান) সুরাদুটি পাঠ করতেন।

আয়িশা ﵂রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের তেলাওয়াতে সিজদায় বলতেন سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِي خَلَقَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ (অর্থ: সিজদায় অবনত হয়েছে আমার মুখমণ্ডল, তাঁরই জন্য যিনি তা সৃষ্টি করেছেন। তিনি নিজ শক্তিতে, নিজ সাহায্যে তার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বিকশিত করেছেন)। (সুনান আবু দাউদ ১৪১৪)

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ

আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন জুমুয়ার দিন ইমাম খুতবা দেয় তখন যদি তোমার পাশের সঙ্গীকে বল, ‘চুপ কর’ তাহলে তুমি একটি অনর্থক কথা বললে।”

সহিহ আল-বুখারি ৯১০ থেকে: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন গোসল করে পবিত্র হয়ে, তেল লাগিয়ে অথবা সুগন্ধি মেখে মসজিদে যায় এবং দুই জন লোককে ফাঁক করে তাদের মাঝখানে বসে না, নির্ধারিত নফল নামাজ পড়ে, এরপর ইমাম যখন খুতবা দেয় তখন চুপ করে বসে শোনে। তবে সেই জুমুয়া থেকে পরবর্তী জুমুয়া পর্যন্ত আল্লাহ তার সমস্ত (সগিরা) গুনাহ মাফ করে দেন।”

عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ أَصَلَّيْتَ يَا فُلاَنُ قَالَ لاَ قَالَ قُمْ فَارْكَعْ رَكْعَتَيْنِ

জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: একজন লোক জুমুয়ার দিন (মসজিদে) আসলো। তখন নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের সামনে খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি তাকে বললেন, “হে অমুক! তুমি কি নামাজ পড়েছ?” সে বলল: না। তিনি বললেন, “ওঠ, দুই রাকাত নামাজ পড়ে নাও।”

সহিহ মুসলিম ৮৭২/৫০-এর বর্ণনা থেকে: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি জুমুয়ার দিন মিম্বারে দাঁড়িয়ে সুরা কফ পড়তেন।

عَنْ أُمِّ عَطِيَّةِ قَالَتْ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نُخْرِجَ ذَوَاتِ الْخُدُورِ يَوْمَ الْعِيدِ قِيلَ فَالْحُيَّضُ قَالَ لِيَشْهَدْنَ الْخَيْرَ وَدَعْوَةَ الْمُسْلِمِينَ قَالَ فَقَالَتِ امْرَأَةٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ لَمْ يَكُنْ لِإِحْدَاهُنَّ ثَوْبٌ كَيْفَ تَصْنَعُ قَالَ تُلْبِسُهَا صَاحِبَتُهَا طَائِفَةً مِنْ ثَوْبِهَا

উম্মে আতিয়া ﵂রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইদের দিন ইদগাহে যাওয়ার জন্য আমাদেরকে (মেয়েদেরকে) নির্দেশ দেন। জিজ্ঞেস করা হলো, হায়েজওয়ালীরা কী করবে? তিনি বললেন, “কল্যাণকর কাজ ও মুসলিমদের দোয়ায় তাদের যোগদান করা উচিত।” একজন স্ত্রীলোক জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল! যদি তাদের কারো কাপড় না থাকে তাহলে কী করবে? তিনি বললেন, “তার বান্ধবী নিজের কাপড় থেকে তাকে কিছু পরতে দিবে।”

বিষয়বস্তুতে যান

যোগাযোগ

মতামত, সংশোধনী বা যে কোনো পরামর্শ জানাতে এই ফর্মটি ব্যবহার করুন।