(আবু যার ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে) নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমাদের গোলাম হচ্ছে তোমাদের ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তির অধীনে তার কোনো ভাই থাকে, সে যা খায় তা তাকে খাওয়াবে, সে যা (যে পোশাক) পরিধান করে তা তাকে পরিধান করাবে। তার সাধ্যের বেশি কোনো কাজের বোঝা তার উপর চাপাবে না। যদি এমন কোনো কাজের বোঝা তার উপর চাপানো হয় তবে সে কাজে তাকে সাহায্য করবে।”
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের কারো খাদেম যখন তার খাবার নিয়ে আসে তখন তাকে যদি সাথে না বসায় তাহলে সে যেন তাকে এক বা দুই লোকমা খাবার দেয়, কেননা সে তার গরম ও কষ্ট সহ্য করেছে।”
আনাস ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি দশটি বছর নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমত করেছি। কিন্তু তিনি কখনো আমার প্রতি “উহ্” শব্দটি করেন নি। একথাও বলেন নি, তুমি এ কাজ কেন করলে এবং কেন করলে না?
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন। একজন কালো বর্ণের পুরুষ অথবা বলেছেন কালো বর্ণের মহিলা মসজিদ ঝাড়ু দিতো। সে মারা গেল। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সাহাবিগণ বললেন: সে মারা গেছে (এবং তাকে দাফন করা হয়েছে।)। তিনি বললেন, “তোমরা আমাকে খবর দিলে না কেন? আমাকে তার কবরটা দেখিয়ে দাও।” অতঃপর তিনি তার কবরের নিকট গেলেন এবং তার জানাজার সালাত আদায় করলেন।
আবু হুরায়রা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কেউ তার অধীনস্থ (চাকর)-কে অন্যায়ভাবে এক দোররা মারলেও কিয়ামতের (বিচারের) দিন তার থেকে এর বদলা নেওয়া হবে।”
আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোনো ব্যক্তির গুনাহগার হওয়ার জন্য এতোটুকুই যথেষ্ট যে, সে যার রিজিকের দায়িত্বশীল তার রিজিক নষ্ট করে।”