শিশুর উপর পরিবেশের প্রভাব

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كُلُّ مَوْلُودٍ يُولَدُ عَلَى الْفِطْرَةِ فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ أَوْ يُنَصِّرَانِهِ أَوْ يُمَجِّسَانِهِ كَمَثَلِ الْبَهِيمَةِ تُنْتَجُ الْبَهِيمَةَ هَلْ تَرَى فِيهَا جَدْعَاءَ

আবু হুরাইরা ﵁রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি কারিম ﷺসল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‍“প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইহুদি অথবা খ্রিস্টান অথবা অগ্নিপূজক বানিয়ে দেয়, যেমন চতুষ্পদ জন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ বাচ্চা জন্ম দেয়। তোমরা কি তাকে (জন্মগত) কানকাটা দেখেছো?”

প্রতিটি শিশু ফিতরাত অর্থাৎ স্বভাবধর্ম ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু শিশুটি যখন ছোট থেকেই পিতা-মাতাকে মূর্তিপূজা সহ শিরকযুক্ত অনুষ্ঠান করতে দেখে তখন সেও পিতা-মাতার ধর্মেই গড়ে উঠে। ফলে সে আর ইসলামের উপরে থাকতে পারে না। তাই সন্তানকে প্রকৃত মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পিতা-মাতাকে খুবই সজাগ থাকতে হবে যেন সন্তান ভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সংস্পর্শে না যায়। সন্তানকে বিশুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত (৩০ তম পারাসহ ২/৩ পারা হিফজ করানো), সালাতে পঠিত দুআ ও সুরাগুলোর অর্থ ও দীনের মৌলিক আহকাম শিক্ষা দানের জন্য উপযুক্ত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করুন। সন্তানদের যথাসম্ভব বেশি সময় প্রদান করুন এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রাখুন।

যেসব যুবক চাকুরি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে অমুসলিম দেশে গমন করেন তারা যেন এমন স্থানে অবস্থান না করেন যেখানে ইসলামের মৌলিক বিধান পালনের সুযোগই নেই অর্থাৎ মসজিদ ও ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। সেই স্থানে বসবাস করলে পরবর্তী প্রজন্মের ইমানহারা হয়ে যাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটি একটি ভয়ঙ্কর অবস্থা। জীবনের সবচেয়ে বেশি মূল্যবান সম্পদ হলো ইমান। এসব ভেবেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বিষয়বস্তুতে যান

যোগাযোগ

মতামত, সংশোধনী বা যে কোনো পরামর্শ জানাতে এই ফর্মটি ব্যবহার করুন।